1. admin3@gonomanuserkhobor.com : Admin3 :
  2. smbipplob88@gmail.com : Masud Mukul : Masud Mukul
  3. newsbipplob2014@gmail.com : এস এম বিপ্লব ইসলাম : এস এম বিপ্লব ইসলাম
শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:

পিস কিনে গাইবান্ধায় কেজিতে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ- ভোক্তা অধিকারের অভিযানের দাবি

ডেস্ক রিপোট
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১

গাইবান্ধার বাজারে তরমুজের ব্যাপক সরবারহ থাকলেও কেজি হিসেবে তরমুজ কিনতে গিয়ে অতিরিক্ত দামে হিমশিম খেতে হচ্ছে ভোক্তাদের। মাঝে মধ্যে এ নিয়ে ক্রেতা ও খুচরা বিক্রেতাদের বাকবিন্ডতা হচ্ছে।

মৌসুমের শেষে পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে বলে দাবি খুচরা ব্যবসায়ীদের। তবে পাইকাররা বলছেন, পাইকারি বাজার থেকে পিস হিসেবে নেওয়া তরমুজ খুচরা বাজারে কেজিতে বিক্রি করার কারণেই ভোক্তা পর্যায়ে দাম বাড়ছে তরমুজের।

পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরাসরি ক্ষেত থেকেও পাইকাররা তরমুজ কিনে আনেন, আবার অনেক চাষি তরমুজ নিয়ে পাইকারদের কাছে আসেন। তবে যেভাবেই হোক না কেন  পিস হিসেবেই তরমুজের বেচা-বিক্রি চলে।  আবার পাইকাররাও এনে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে পিস হিসেবেই বিক্রি করেন এসব তরমুজ। কিন্তু খুচরা বাজারে গিয়ে সেটি কেজি হিসেবে কিভাবে বিক্রি হচ্ছে সেটা কারও বোধগম্য নয়। যেখানে ক্রেতাদের অভিযোগেরও শেষ নেই।

তরমুজের ক্ষেত্রে যেটা হচ্ছে সেটা অন্য কোন ফলের ক্ষেত্রে দেশের কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না জানিয়ে শফিউল ইসলাম নামের একজন ক্রেতা বলেন, তরমুজের ভেতরের রসালো লাল অংশ যা খাওয়া হয়ে থাকে, সেখানে যে ওজন থাকে তার সমপরিমান ওজন থাকে বাকল বা ছোলাতে। আর ছোলা ফেলে দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু যখন তরমুজ কিনছি তখন সেই ফেলে দেওয়া অংশই, ভোগ্য অংশের দামেই কিনতে হচ্ছে ওজন দিয়ে।

রেলগেটের শাহিন নামে অপর এক ক্রেতা বলেন, পাইকারি বাজার থেকে একসঙ্গে অনেক তরমুজ কিনতে হয়, কিন্তু খুচরা বাজারে ভোক্তা তার প্রয়োজন অনুসারে কিনতে পারেন। এ সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে খুচরা বাজারের ব্যবসায়ীরা তরমুজ বাজারে সিন্ডিকেট বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন। যে কারণে পিস হিসেবে কিনে কেজি হিসেবে সব খুচরা ব্যবসায়ীরাই জোট বেধে তরমুজ বিক্রি শুরু করেছেন। তারমতে দ্বিগুণ লাভের আশায় এমনটা করা হচ্ছে।

কৃষকের ক্ষেত থেকে প্রতি পিস হিসেবে তরমুজ কিনে বাজারে কেজি দরে বিক্রি করে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত মুনাফা করছে মধ্যসত্ত্ব¡ভোগী এবং ফরিয়ারা। এতে পকেট কাটা যাচ্ছে সাধারণ মানুষের। আর মওসুমের শেষে এসে দাম হয়েছে আকাশচুম্বী। এ নিয়ে বাজারে তদারকিও নেই কোন কর্তৃপক্ষের।

কৃষকের ক্ষেত থেকে প্রতি পিস হিসেবে তরমুজ কিনে কেজি দরে বিক্রি করে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে  ব্যবসায়ীরা। আকারভেদে প্রতিটি তরমুজ কৃষকের কাছ থেকে একশ’ টাকা থেকে দুইশ’ টাকায় কিনছে পাইকারি ব্যবসায়ীরা। ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে সেই তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৪-৫শ’ টাকায়। পিস হিসেবে তরমুজ কিনে কেজি হিসেবে বিক্রি বন্ধে বাজারে প্রশাসনিক তদারকি বাড়ানো ও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার দাবি সাধারণ মানুষের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গণ মানুষের খবর

Theme Customized BY LatestNews