1. smbipplob88@gmail.com : Masud Mukul : Masud Mukul
  2. newsbipplob2014@gmail.com : এস এম বিপ্লব ইসলাম : এস এম বিপ্লব ইসলাম
ফুলছড়ির উড়িয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঘাট ইজারা প্রদানে অনিয়ম,দূর্নীতির অভিযোগ
শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

ফুলছড়ির উড়িয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঘাট ইজারা প্রদানে অনিয়ম,দূর্নীতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩ মে, ২০২১
  • ২৮ বার পঠিত

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওই ইউনিয়নের ৪টি ঘাট ইজারা প্রদানে অনিয়ম,দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দফতরে দেয়া অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মাহাতাব উদ্দিন সরকার হস্তান্তরিত ঘাট ইজারা ও ব্যবস্থাপনা এবং উদ্ভুত আয় বন্টন নীতিমালার তোয়াক্কা না করে সরকারি নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে বাংলা ১৪২৮ সনের মেয়াদে ইউনিয়নের ৪টি ঘাট ইজারা প্রদান করেন।
নীতিমালা অনুযায়ী ঘাট ইজারা প্রদানের জন্য টেন্ডার কমিটি গঠন করার নিয়ম থাকলেও তা করা হয়নি। দরপত্র আহবানের জন্য নিদিষ্ট দিনের অনন্ত ১৫দিন পূর্বে এলাকায় ব্যাপক প্রচারনাসহ ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, ভুমি অফিস,হাট বাজারসহ গুরুস্তত্বপূর্ন স্থানে নোটিশ দেয়ার কথা থাকলেও তা না করে গোপনে নিজের আত্বীয়দের মাঝে সব্বোর্চ দরদাতা নির্ধারন না করে গোপনে ঘাট ৪টি ইজারা প্রদান করেন।
শুধু তাই নয় নতুন ইজারা যারা নিয়েছেন তাদের দেয়া হয়নি কোন চুক্তিপত্র, ঘাটে লাগানো হয়নি ১৪২৮ সনের ইজারা ও টোল আদায়ের কোন সাইনবোর্ড। নিয়ম থাকলেও বিগত বৎসরের ইজারাদারকেও জাননো হয়নি দরপত্র দাখিলের দিন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ বিগত বৎসরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মাহাতাব উদ্দিন সরকার গোপনে মোটা অংকের টাকার চুক্তির বিনিময়ে সরকারি নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে পেশাদার পাটনীদের ঘাট ইজারা না দিয়ে গোপনে অন্য পেশার নিজের আত্বীয়দের মাঝে ঘাট ইজারা দিয়েছেন।
ফুলছড়ির চরকাবিলপুরের ঝউপাড়া গ্রামের মোঃ হাবিুবর রহমান জানান, চেয়ারম্যান কোন প্রচার ছাড়াই গোপনে ঘাট ইজারা দিয়েছেন। এলাকার পেশাদার পাটনী বা কোন মানুষ কবে টেন্ডার বা কতো টাকায় হয়েছে জানে না।
চরকাবিলপুর গ্রামের ফারুক মিয়া জানান, পেশাদার পাটনীদের ঘাট ইজারা দেয়ার নিয়ম থাকলেও কোন পাটুনী বা পূর্বের ইজারাদের কোন কিছু জানানো হয়নি। এমনকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়েও কোন নোটিশ না দিয়ে কি করে ঘাট ইজারা দেয়া যায়। দ্রæত গোপন টেন্ডার বাতিল করে প্রকাশ্য দরপত্র আহবানের মাধ্যমে ঘাট ইজারা দেয়া হোক।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মোইবাল ফোনে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মাহাতাব উদ্দিন সরকার যথাযথ নিয়ম মেনে ইজারা দিয়েছেন বলে জানান।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু রায়হান দোলন জানান, অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গণ মানুষের খবর

Theme Customized BY LatestNews