1. smbipplob88@gmail.com : Masud Mukul : Masud Mukul
  2. newsbipplob2014@gmail.com : এস এম বিপ্লব ইসলাম : এস এম বিপ্লব ইসলাম
গাইবান্ধায় সমতা প্রকল্প সুবিধাভোগীদের পক্ষে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০২:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

গাইবান্ধায় সমতা প্রকল্প সুবিধাভোগীদের পক্ষে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১
  • ৩২ বার পঠিত

গাইবান্ধায় জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নামে একটি উন্নয়ন প্রকল্প ওয়াশ ইন (সমতা) জেলার চারটি ইউনিয়নে পরিচালিত হচ্ছে, যা প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সহযোগিতায় স্থানীয় বেসরকারী সংস্থা এসকেএস ফাউ-েশন সদর উপজেলার অন্তর্গত গিদারী ও মোলারচর ইউনিয়ন এবং ফুলছড়ি উপজেলার অন্তর্গত কঞ্চিপাড়া ও উড়িয়া ইউনিয়নে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস সমতা প্রকল্প কাজ করছে।

মহিলা, শিশু এবং ইউনিয়ন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য অধিদফতরের (ডিএফএটি) আর্থিক সহায়তায় এবং প্রতিবন্ধী উন্নয়ন কেন্দ্র, বাংলাদেশ প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে। সমতা-স্ট্রেংদেনিং জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি এন্ড স্যোশাল ইনক্লুশন ইন ওয়াশ ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে বিদ্যালয় ও কমিউনিটিতে সচেতনতা বৃদ্ধি, নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তির উপযোগী নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যাভ্যাসের উন্নয়নে কাজ করছে। গত সোমবার দুপুরে প্রকল্পটি আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের উত্তর গিদারী গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রকল্পের জেলা সমন্বয়ক হাসিনা পারভীন সাংবাদিকদের প্রকল্পের সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পর্কে অবহিত করেন।

হাসিনা পারভিন বলেন, প্রকল্পের আওতাধীনদের হিসাবে প্রকল্পের আওতায় আনার লক্ষ্যে মোট ৬৮ হাজার ৯৫৬ জন নারী-পুরুষ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রকল্প কমান্ড অঞ্চলের লক্ষ্যবস্তুদের জন্য ইতিমধ্যে অনেক কল্যাণমূলক কার্যক্রম করা হয়েছিল। প্রকল্পের উদ্যোগে করোনার বিস্তার রোধে জনগণকে মাস্কসহ ৪ হাজার ৭শ’ ইউনিট হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করার পাশাপাশি প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সকল বয়সের মানুষের জন্য বেশ কয়েকটি হ্যান্ড ওয়াশিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটিতে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং বিভিন্ন প্রকল্পের আওতাধীন অঞ্চলের মানুষকে বিভিন্ন রোগ থেকে বাঁচাতে বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ করতে প্রকল্প এলাকায় স্যানিটারি ল্যাট্রিন এবং নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।

মোলারচর ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের প্রকল্পের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দ্বারা ওয়ার্ডের লোকদের অনুপ্রেরণামূলক কার্যক্রম বা প্রচার চালানোর পরে হাত ধোয়ার শতভাগ আওতায় আনা হয়েছিল। ১০৯টি পরিবার মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি নিয়েছে এবং তারা অন্যান্য পরিবারকেও অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তুলছে, তিনি আরও বলেন, প্রকল্প সমূহের উকিল ও কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিটি উপজেলায় প্রতিবন্ধী সু-সুরক্ষা কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। প্রতিবন্ধী সংখ্যক ব্যক্তি প্রতিমাসে প্রকল্প থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন তাদের অর্থনৈতিক সঙ্কট ছাড়াই তাদের দিন অতিবাহিত করতে সহায়তা করার জন্য। তিনি বলেন, প্রকল্প এলাকার কৈশোর বয়সী মেয়েরা প্রকল্পের মহিলা কর্মীদের দ্বারা তাদের প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হচ্ছে যাতে তারা তাদের সময়কালে শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে পারেন।

প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠানে প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা ও প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রজেক্ট অফিসার শাহ্ মো. মুয়াযযেম বিল্লাহ। এই প্রকল্পে কারিগরি সহযোগিতা করছে সিডিডি। ইউনিয়নের প্রকল্পভোগী জামিলা খাতুন বলেন, প্রকল্পের ফলে প্রকল্পের সুফল পাওয়ায় প্রকল্পের সামগ্রিক কার্যক্রম প্রশংসনীয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মো. মোশারফ হোসেন বলেন, স্যানিটেশন ও ওয়াশ সহায়ক উপকরণ সহায়তা পেয়ে তিনি নিজেই ল্যাট্রিন ও হ্যান্ড ওয়াশ ডিভাইসের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করতে পারছেন। গিদারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ হারুন বা রশিদ ইদু মিয়া বলেন, প্রকল্প থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়ায় ইউনিয়নের বাসিন্দা প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা খুশি এবং প্রকল্পের সংশি¬ষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। প্রকল্পের সামগ্রিক কার্যক্রম ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে এবং প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মন জয় করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গণ মানুষের খবর

Theme Customized BY LatestNews