1. admin3@gonomanuserkhobor.com : Admin3 :
  2. smbipplob88@gmail.com : Masud Mukul : Masud Mukul
  3. newsbipplob2014@gmail.com : এস এম বিপ্লব ইসলাম : এস এম বিপ্লব ইসলাম
ঝুঁকি নিয়ে চলছে গোবিন্দগঞ্জের কামদিয়া নূরল হক ডিগ্রী কলেজের শিক্ষা কর্যক্রম
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

ঝুঁকি নিয়ে চলছে গোবিন্দগঞ্জের কামদিয়া নূরল হক ডিগ্রী কলেজের শিক্ষা কর্যক্রম

সুবর্ণ গৌতম মোহন্ত মিথুন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২
  • ৯৯ বার পঠিত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের কামদিয়া নূরল হক ডিগ্রী কলেজের তৃতীয় তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরায় এবং দেবে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই চলছে পাঠদান কার্যক্রম। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিরাপত্তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিঃমিঃ দুরে শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে কামদিয়া নূরল হক ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয় । কামদিয়া এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী নুরুল হক এলাকাবসীর সহায়তায় কলেজটি স্থাপন করেন। এই এলাকায় আর কোন উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত গুরুতপূর্ণ ভ’মিকার পালন করে আসছে। কিন্তু শুরু থেকেই প্রয়োজনের তুলনায় ছাত্র-ছাত্রীদের বসার জায়গা ছিল কম।

এ জন্য ফ্যাসালিটিজ ডিপার্টমেন্ট ১৯৯৪ সালে ৩ তলা বিশিষ্ট কলেজের একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণ করে। ২০০১ সালের ২মার্চ ফ্যাসালিটিজ ডিপার্টমেন্টের ততকালীণ প্রধান প্রকৌশলী ও বর্তমানে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী ভবনটির উদ্বোধন করেন। ২৭ বছর আগে নির্মিত এই কলেজ ভবনটির প্রায় ৫০টি স্থানে ফাটল ধরায় এবং পূর্ব পার্শ্বে বিপদজ্জনক ভাবে দেবে যাওয়ায় এই ভবনে পাঠদানসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। শিক্ষার্থীর জানান ক্লাশ চলাকালে মাঝে মধ্যেই খুলে পড়ছে ছাদের পলেস্তার। তারপরেও এই বিল্ডিংয়েই চলছে যাবতীয কার্যক্রম।

বিদ্যালয়ের একাদ্বষ শ্রেণীর শিক্ষাথী পাপ্পু চন্দ্র বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এ ধরণের জীর্ণদশায় আতংকিত মনেই ক্লাশ করতে হয়। যে কারণে পড়ায় ঠিক মত মন বসে না। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ফেরদৌস মোঃ নাহিদুল ইসলাম বলেন ১৯৯৪ সালে এই একাডেমিক ভবন টি নির্মাণ করা হলেও এটি নির্মাণে আধুনিক কৌশল ব্যবহার করা হয়নি। তিন তলা বিশিষ্ট এই ভবন নির্মাণে আরসিসি বা কংক্রিটের পিলার ছাড়াই ইটের ওপর ভর করেই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়। যে কারণে বিভিন্ন শ্রেণী কক্ষ, টয়লেট, অফিস কক্ষে ফাটল ধরায় বর্তমানে কলেজের শিক্ষা সহ নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করা ঝুকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। মেরামতের জন্য সংশিষ্ট দপ্তর সহ বিভিন্ন দপ্তরে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এ ব্যপারে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ হোসেন জানান, কামদিয়া নূরল হক ডিগ্রী কলেজের একাডেমিক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পরেও প্রয়োজনের তাগিদে সেখানে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে। কলেজ ভবনে ফাটল ধরার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষকে অবহিত করেছি। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের কামদিয়া নূরল হক ডিগ্রী কলেজের তৃতীয় তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরায় এবং দেবে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই চলছে পাঠদান কার্যক্রম। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিরাপত্তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিঃমিঃ দুরে শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে কামদিয়া নূরল হক ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয় । কামদিয়া এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী নুরুল হক এলাকাবসীর সহায়তায় কলেজটি স্থাপন করেন। এই এলাকায় আর কোন উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত গুরুতপূর্ণ ভ’মিকার পালন করে আসছে। কিন্তু শুরু থেকেই প্রয়োজনের তুলনায় ছাত্র-ছাত্রীদের বসার জায়গা ছিল কম। এ জন্য ফ্যাসালিটিজ ডিপার্টমেন্ট ১৯৯৪ সালে ৩ তলা বিশিষ্ট কলেজের একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণ করে।

২০০১ সালের ২মার্চ ফ্যাসালিটিজ ডিপার্টমেন্টের ততকালীণ প্রধান প্রকৌশলী ও বর্তমানে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী ভবনটির উদ্বোধন করেন। ২৭ বছর আগে নির্মিত এই কলেজ ভবনটির প্রায় ৫০টি স্থানে ফাটল ধরায় এবং পূর্ব পার্শ্বে বিপদজ্জনক ভাবে দেবে যাওয়ায় এই ভবনে পাঠদানসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। শিক্ষার্থীর জানান ক্লাশ চলাকালে মাঝে মধ্যেই খুলে পড়ছে ছাদের পলেস্তার। তারপরেও এই বিল্ডিংয়েই চলছে যাবতীয কার্যক্রম।

বিদ্যালয়ের একাদ্বষ শ্রেণীর শিক্ষাথী পাপ্পু চন্দ্র বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এ ধরণের জীর্ণদশায় আতংকিত মনেই ক্লাশ করতে হয়। যে কারণে পড়ায় ঠিক মত মন বসে না। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ফেরদৌস মোঃ নাহিদুল ইসলাম বলেন ১৯৯৪ সালে এই একাডেমিক ভবন টি নির্মাণ করা হলেও এটি নির্মাণে আধুনিক কৌশল ব্যবহার করা হয়নি। তিন তলা বিশিষ্ট এই ভবন নির্মাণে আরসিসি বা কংক্রিটের পিলার ছাড়াই ইটের ওপর ভর করেই নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়। যে কারণে বিভিন্ন শ্রেণী কক্ষ, টয়লেট, অফিস কক্ষে ফাটল ধরায় বর্তমানে কলেজের শিক্ষা সহ নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করা ঝুকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। মেরামতের জন্য সংশিষ্ট দপ্তর সহ বিভিন্ন দপ্তরে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এ ব্যপারে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ হোসেন জানান, কামদিয়া নূরল হক ডিগ্রী কলেজের একাডেমিক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পরেও প্রয়োজনের তাগিদে সেখানে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে। কলেজ ভবনে ফাটল ধরার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষকে অবহিত করেছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গণ মানুষের খবর

Theme Customized BY LatestNews