1. admin3@gonomanuserkhobor.com : Admin3 :
  2. smbipplob88@gmail.com : Masud Mukul : Masud Mukul
  3. newsbipplob2014@gmail.com : এস এম বিপ্লব ইসলাম : এস এম বিপ্লব ইসলাম
গোবিদগঞ্জে খারিতা দাখিল মাদ্রাসায় বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযাোগ
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:

গোবিদগঞ্জে খারিতা দাখিল মাদ্রাসায় বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযাোগ

মিজানুর রহমান
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ আগস্ট, ২০২২
  • ৫২ বার পঠিত
গাইবান্ধার গোবিদগঞ্জ উপজলার নব এমপিও ভুক্ত খারিতা দাখিল মাদ্রাসায় বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগে মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি মাহমুদ আলী সরকার বাদী হয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন দায়ের করেছেন। জানা গেছে, গাইবান্ধা জেলার গোবিদগঞ্জ উপজলার শাখাহার ইউনিয়নের নতুন এমপিও ভুক্ত খারিতা দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহমুদ আলী সরকার সভাপতি থাকা কালিন ০৭/০৫/২০০২ তারিখে দৈনিক করতোয়া পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি মোতাবক সুপার মেহদুল ইসলাম সহ বিভিন্ন পদে ১৮ জনকে নিয়োগ দিয়ে মাদ্রাসাটি চালু করেন।
মাদ্রাসাটি দীর্ঘ দিন পর ২০২২ সালে নতুন এমপিও ভুক্ত হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে  সুপার  মেহেদুল ইসলাম  ২০০২ সালে নিয়োগকত সুজাউল ইসলাম (বিপিএড শিক্ষক), শাহিনুর আক্তার (বিএসসি শিক্ষক), ও এবতেদায়ী শাখার প্রধান সহ আরা ৩/৪ জন কে বাদ দিয়ে  লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ওই ডেট দিয়ে জাল কাগজ,  ঘষামাজা করে ও সহি-স্বাক্ষর জাল করে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দিলে এলাকা বাসী ও ভুক্তভোগীগন  তা জানতে পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ে।
এমনকি ০৮/০৬/২০০২ সালে নিয়োগকৃত কৃষি শিক্ষক শফিকুল ইসলাম পিতা-  হাফেজ উদ্দিন, গ্রাম- খারিতা, উপজলা-গোবিদগঞ্জ, জেলা- গাইবান্ধা  গত ৩০/০৬/২০২১ ইং তারিখে মৃত্যু হলেও ওই পদে সুপার  অন্য এক শফিকুল ইসলাম কে ১২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ২০০২ সালের ব্যাক ডেটে নিয়াগ দেখায়। অভিযোগে আরো জানা গেছে,উক্ত মাদ্রাসাটির নামে রেকর্ডভক্ত কোন জমি-জমা,  নিজস্ন ভবন ও ছাত্র ছাত্রী নাই, খারিতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি ও ভবন ব্যবহার করছে।
সুপার  মেহেদুল ইসলামের স্ত্রী মারজাহান আক্তার স্বতন্ত্র খারিতা এবতদায়ী মাদ্রাসার ৩য় শিক্ষক থাকা স্বত্তে¡ও  তাকে উক্ত মাদ্রাসায় নিয়োগ দিয়েছে বলেও জানা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খারিতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনে কয়েকজন শিক্ষক নিয়ে বসে আছেন সুপার। ক্লাশ রুম হিসেবে দেখানো ভবনে স্বতন্ত্র খারিতা এবতদায়ী মাদ্রাসার লোকজন বাশের বেড়া দিয়ে দখল করে নেয়ায় ক্লাশ রুম নাই বললেই চলে।
সুপার মেহেদুল ইসলাম জানান, আমি সেই সময়ে জমি খারিজ করেছি,  পরে অন্যদের নামে রেকর্ড হয়েছে।  ২০০২ সালের শিক্ষক গনই আছে নতুন করে নিয়োগ দেয়া হয় নি। এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ হোসেন জানান, অভিযোগের কপি এখনো পাইনি, পেলে তৎক্ষনাৎ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে সরেজমিনে তদন্ত পুর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী সচেতন মহলের।।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গণ মানুষের খবর

Theme Customized BY LatestNews