1. admin3@gonomanuserkhobor.com : Admin3 :
  2. smbipplob88@gmail.com : Masud Mukul : Masud Mukul
  3. newsbipplob2014@gmail.com : এস এম বিপ্লব ইসলাম : এস এম বিপ্লব ইসলাম
ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের মাদক ব্যবসায়ী রহমত আলীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের মাদক ব্যবসায়ী রহমত আলীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৬ বার পঠিত

গাইবান্ধা জেলা ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের মাদক ব্যবসায়ী রহমত আলী (রহমতউল্লাহর) অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। তার নানা অপকর্মের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন স্থানীয়রা। অন্যদিকে অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করার আশ্বাস পুলিশের। জানা যায়, সোনারগাঁ জাদুঘরে কর্মরত আনসার সদস্য আব্দুল মান্নান মিয়া। তিনি চলতি বছরের (৩ নভেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধা জেলার জজ আদালতে সাক্ষ্য দিতে আসেন। সেদিন সাক্ষ্য গ্রহণ না হওয়ায় পরিবারসহ বাসায় ফিরছিলেন।

এসময় রহমতউল্লাহ ও তার দলবল আদালত চত্তর থেকে মান্নান মিয়াকে অপহরণ করে আটক রেখে মারধর করে। পরে মুক্তিপণ দাবি করে ওই চক্র। এসময় তিনজনকে আটক করে পুলিশ। এসময় রহমত উল্লাহ ও হেদায়েত পালিয়ে যায়। অভিযোগ কারী ব্যক্তি মৌলভি মান্নান মিয়া বলেন, এলাকায় মাদকের ব্যবসা করে রহমতউল্লা এর আগেও অনেক বার আটক হয়েছেন। সে মাদক মামলায় আটক হওয়ার পরও জামিনে ফিরে এসে একই কাজে লিপ্ত হয়। এমন জঘন্য তম কাজে বাধা দেয়ায় সে এবং তার দলবল নিয়ে আমাকে ধরে নিয়ে আটক রেখে মারধর করে। পরে মুক্তিপন দাবি করে। পরে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় আমি বেঁচে যাই।

তিনি আরো বলেন, রহমতুল্লাহ এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, চুরি ছিনতাই মুলত তার পেশা। সে কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলার আসামী। এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ী রহমতুল্লাহ এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়নে চুরি ছিনতাই ও মাদক ব্যবসা করে। তার এ কাজে কেউ বাধা দিলে তাদেরকে হত্যার হুমকী দেওয়া হয়। মাদকের ব্যবসার সাথে তার পরিবারের লোকজন ও তার মা, বাবা, ভাই সহযোগিতা করে। কিছুদিন পুর্বে মাদকের চালানসহ পলাশবাড়ী থানা পুলিশ রহমত উল্লাহকে আটক করে।

এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম বলেন, রহমত উল্লাহ ও তার পরিবারের লোকজন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার মা মাদকের চালান বহন করে। রহমতুল্লাহর বড় চাচা আলহাজ্ব আমির হোসেন বলেন, আমি এদের পরিবারে অত্যাচারে অনেক কষ্টে বেঁচে আছি। আমার সন্তানাদি নাই আমি এলাকার গরিব মানুষের এতিম মেয়েদের বাড়িতে এনে অনেকের বিয়ে দিয়েছি। এরা আমার কাজে বাঁধা দেয়। আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমার এক একর জমি বেদখল নিয়েছে। এখন আবার আমার জমিতে আমাকেই নামতে দিচ্ছে না। আমি এদের বিচার চাই।

পল্লী চিকিৎসক আবুল কালাম অভিযোগ করে বলেন। রহমতুল্লাহ ও তার পরিবারের লোকজন অনেক দাঙ্গা বাজ তাদের জন্য আমরা জীবন নিয়ে অনেক ভয়ে আছি। তারা আমার ক্রয়কৃত ৯৫ শতাংশ আবাদি জমি দখল করে নিয়েছে। এখন আবার বলে তোর সব কিছু নেবো তুই কিছুই করতে পারবি না। আল আমিন, পল্লী চিকিৎসক খলিল, আসাদুজ্জামান বাবু, কউছার আলীদের সাথে কথা বলে জানা যায় রহমতুল্লাহ ও তার পরিবারের লোকজন সবাই ইয়াবা ব্যবসার সাথে জরিত। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ২০৫ পিচ ইয়াবা বহনের দায়ে একটি মামলা হয়। কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর থানায় ৮৩০ পিচ ইয়াবা বহনের দায়ে ২৯( ডিসেম্বর) ২০২০সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়।

কুড়িগ্রামের রৌমারী থানায় ১৯৭ পিচ ইয়াবা বহনের দায়ে একটি মামলা হয়। জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থানায় নারী শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলাসহ তার নামে বিভিন্ন থানায় প্রায় ১০ টি মামলা চলমান রয়েছে। হেদায়েতুল্ল্যা বলে ১০ মামলা হয়েছে তাতে কি হয়েছে আমাদের আরো ১০ টা হবে তারপরেও মান্নান মৌলভি কে দেখে নিবো বলে হুমকী দেন। এব্যপারে ফুলছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ কাওশার আলী বলেন, রহমতউল্লাহর নামে ফুলছড়ি থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। গত ১১ নভেম্বর রহমত উল্লাহর আপন চাচা আমির হোসেন প্রাণনাশের হুমকী ও জমি দখলের অভিযোগ করে গেছেন থানায়। অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গণ মানুষের খবর

Theme Customized BY LatestNews