1. admin3@gonomanuserkhobor.com : Admin3 :
  2. smbipplob88@gmail.com : Masud Mukul : Masud Mukul
  3. newsbipplob2014@gmail.com : এস এম বিপ্লব ইসলাম : এস এম বিপ্লব ইসলাম
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

যে ভাবে করবেন স্কোয়াশ চাষ

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

স্কোয়াশ চাষ পদ্ধতি (Squash Farming)

স্কোয়াসের জাত :

স্কোয়াস একটি বিদেশী সবজি। বাংলাদেশে নতুনভাবে এটি চাষ শুরু হয়েছে। ভারতে চাষাবাদ হচ্ছে এরকম কয়েকটি কয়েকটি জাতের -zucchini (Cucurbita pepo) একটি জনপ্রিয় জাত। আমাদের দেশে এরকম লম্বা স্কোয়াস চাষাবাদ হচ্ছে। বিভিন্ন বেসরকারী কোম্পানী স্কোয়াসের বীজ বাজারজাত করছে। বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায় নি।

স্কোয়াসের বপন এবং রোপণ প্রযুক্তি:

স্কোয়াসের বীজ একটি একটি করে বপন করা যায় আবার একটি মাদায় একাধিক বপন করা যায়। প্রায় ৩ ফুট দূরে দূরে একটি মাদায় ২-৩ টি বীজ বপন করা হয়। বীজ প্রায় ১ ইঞ্চি গভীরে বপন করতে হবে। চারা গজানোর পর মাটি তুলে ৬-১২ ইঞ্চি উঁচু করে দিতে হবে এবং ১-২ ফুট প্রশ্বস্থ করতে হবে। বীজ বপনের ৪-৬ সপ্তাহ পরে ফল ধরা আরম্ভ হবে।

মালচিং:

স্কোয়াস চাষে মালচিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। চারা টিকে গেলেই গোড়ার চারপাশে মালচিং করলে তাপমাত্রা ঠিক থাকে এবং মাটি আর্দ্রতা ধরে রাখে। বিষয়টি স্কোয়াসের ফলন আগাম ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

সেচ প্রদানঃ

স্কোয়াস গাছ সপ্তাহে ২ ইঞ্চি পানি শোষণ করে থাকে। তাই প্রয়োজনে সেচ প্রদান করতে হবে।

ফলনঃ

বীজ বপন থেকে শুরু করে ৪-৬ সম্পাহের মধ্যেই ফলন পাওয়া যায়। জাত ভেদে সময় কম বেশী হতে পারে।

স্কোয়াশ এর উপকারিতা ঃ

স্কোয়াশে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই ও ভিটামিন বি-৬। স্কোয়াশে নায়াসিন, থায়ামিন, প্যানথোটোমিন এসিড ও ফলিড রয়েছে। এছাড়াও অনেক মিনারেলস রয়েছে। যেমন ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, খনিজ, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ক্যারোটিনয়েড এবং অন্যান্য অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এছাড়াও প্রতিদিনের ডায়েটে স্কোয়াশ রাখতে পারেন। নিয়মিত স্কোয়াশ খেলে ফ্রি রেডিকেলসের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে পারবেন।

গবেষণা থেকে জানা যায় যে, নিয়মিত স্কোয়াশ খেলে শরীরে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে। কারণ এতে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে লুটেন। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করে। যার ফলে বাইরে থেকে কোনো জীবাণু আক্রমণ করতে পারে না। স্কোয়াশ ডায়বেটিসকে নিয়ন্ত্রণ করে। ভিটামিন বি কম্পেলেক্স এর বড় উৎস হলো স্কোয়াশ। যা মেটাবলিজমের কার্যক্রমকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও স্কোয়াশে রয়েছে অনেক পরিমাণে ডায়েটারী ফাইবার।

স্কোয়াশে কম পরিমাণে গ্লাইসেনিক ইনডেক্স থাকে। যা সুগার লেভেলকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। তাই ডায়বেটিসের কোনো সম্ভাবনা থাকলে এ সবজিটি খেতেই পারেন। কারণ এতে থাকা পেকটিন ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে। স্কোয়াশে থাকা অ্যান্টি ইনফ্লামেটরী উপাদান এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড, ক্যারোটিনয়েড, লুটেইন, বিটা ক্যারোটিন আমাদের আর্থ্রাইটিসকেও বাড়তে দেয় না। সেই সঙ্গে গ্যাস্টিকের সমস্যা থেকেও রক্ষা করতে পারে স্কোয়াশ।

ফলনঃ

উৎপাদিত ফসলের পরিমাণঃ ১ বিঘা ( ৩৩ শতাংশ ) জমি থেকে এক মৌসুমে ২২০০ টি সামার স্কোয়াশ গাছ পাওয়া যায়। একটি গাছে গড়ে ১২-১৬ কেজি ফল হয় যায় এক বিঘা জমিতে প্রায় ২৪,০০০ কেজি । কোন কোন সময় ফলের সাইজে উপর মোট উৎপাদন কম বেশি হতে পারে। প্রতি বিঘা জমিতে স্কোয়াশ উৎপাদনের জন্য খরচ হয় ২০-২৫ হাজার টাকা। কিন্তু ১ বিঘা জমি থাকে মুনাফা হয় ৯০০০০-১০০০০০টাকা।

সৈয়দ রেজা-ই-মাহমুদ

উপজেলা কৃষি অফিসার

সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গণ মানুষের খবর

Theme Customized BY LatestNews