1. [email protected] : Masud Mukul : Masud Mukul
  2. [email protected] : এস এম বিপ্লব ইসলাম : এস এম বিপ্লব ইসলাম
গোবিন্দগঞ্জে মিথ্যা মামলার সুষ্ঠ তদন্তের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন
মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১, ১১:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

গোবিন্দগঞ্জে মিথ্যা মামলার সুষ্ঠ তদন্তের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৬৫ বার পঠিত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের মধ্য দরবস্ত গ্রামে জমিজমা নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের বাড়ীতে আগুন দিয়ে মিথ্যা মামলা দেয়ার ঘটনায় সুষ্ঠ তদন্ত ও মারপিট সহ শ্লীলতাহানী মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী একটি পরিবার।
রবিবার সকাল ১১ টায় নিজ গ্রামে ভুক্তভোগি পরিবারের পক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওই গ্রামের মরহুম আলতাফ হোসেন বাদশা সরকারের বড় মেয়ে মোছাঃ আজমিরা রহমান সাথী। তিনি তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার মরহুম পিতার কবলাকৃত জমির উপর একই গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের স্ত্রী ছালেহা বেওয়া বাদী হয়ে ৬৪ জনকে বিবাদী করে ২০১৮ সালে গাইবান্ধা য্গ্মু জেলা জজ আদালতে বাটোয়ারা মামলা দায়ের করেন। যার পিটিশন নং-৬৩/২০১৮। ওই মামলায় ১৪ থেকে ২১ নং বিবাদী করা হয় আমাদের পরিবার থেকে। ছালেহা বেওয়া সর্ম্পকে আমার দাদী হানুফা বেওয়ার ছোট বোন। ওই মোকদ্দমার জমি কবলা সুত্রে আমার পিতার নামে বি.আর.এস খতিয়ান ও নামজারী ওয়ারিশ হিসেবে চাষাবাদ করে আসছি। মামলার বাদী সমন নোটিশ গোপন করে গত ২০১৯ সালের ১৮ ও ২৪ নভেম্বর তারিখে একতরফা রায় নেয়। এ বিষয়টি জানতে পেরে আমার পরিবারের ওয়ারিশগণ ওই আদালতেই ডিক্রী রদের মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ০৭/২০২০। ছালেহা বেওয়ার মৃত্যুর পর তাঁর নাতি মিজানুর রহমান আমার পরিবারের উপর নতুনভাবে মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র বুনতে থাকে। গত ৬ জানুয়ারী আমাদের ভোগদখলীয় জমিতে ভাইয়েরা হালচাষ করতে যায়। সেখানে মিজানুর রহমান বাঁধা দিতে ব্যর্থ হয়ে বাড়ীতে ফিরে এসে নিজ ঘরের আসবাবপত্র স্ত্রী সহ অনত্র সরিয়ে নিয়ে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এর প্রত্যক্ষস্বাক্ষী পাশের বাড়ীর নজরুল ইসলামের ছেলে ৫ম শ্রেণীর ছাত্র সোহান মিয়া। তিনি আরো বলেন মিজানুর নিজের ছেলেকে ওই আগুনে পুড়ে মারার চেষ্টা করলে তাকে রক্ষা করেন পাশের বাড়ীর মৃত-নামাল উদ্দিনের ছেলে মজনু মিয়া। ওই সময় আমার ছোট বোন সোনিয়া আক্তার সন্ধি এগিয়ে যেয়ে ভিডিও ধারণ করে। সেখানে মিজানুর ও তার লোকজন মারপিট এবং শ্লীলতাহানী ঘটায়। আমাদের পরিবারের সুনাম নষ্ট করতে মিজানুর রহমান আমাকে সহ আমার অন্যান্য ভাই, বোন, ভাগিনাকে আসামী করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। নিজের বাড়ীতে আগুন দিয়ে অন্যকে ফাঁসানোর সাজানো মামলার সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | গণ মানুষের খবর

Theme Customized BY LatestNews